দ্যা ফ্যাক লাভ
কিন্তু আমি তা পারিনি।সে দিন দিন সে পালটাতে থাকে।তাকে আমি সব ভাবে বুঝাতে চেষ্টা করি কিন্তু আমি বার বার ব্যার্থ হয়ে গেছি।এই ভাবে যেমন দিন কাটতে থাকে আমিও তাকে ধিরে ধিরে ভালোবেসে ফেলতে থাকি।এক সময় আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলি রাব্বি।আমি ভাবতাম সে একসময় আমায় আমার অনুভতি গুলো বুঝবে।তার ব্যাথা অবহেলায় আমি আমার জন্য ভালোবাসা খুজে নিতে থাকি।তারে জোর করে আমি কোন দিন কিছু বলি নাই।বা কোন কিছু দাবি করি নাই।
আমার রাগ অভিমান সে কোন দিন বুঝে নাই।তার কিছু কিছু ব্যাবহার আমার খুব খারাপ লাগতে থাকে তার পরো আমি তাকে কিছু বলি নাই।জানো দোষ ভুল যদি সে করতো আমি নিজে ক্ষমা ছেয়ে নিতাম।তাকে কোন দিন আমার কোন ব্যাথা বা কষ্ট বুঝতে দেই নাই।
জানো রাব্বি সবাই যতই বলুক না কেন যে বেকার ছেলের হাত ধরেছি হাত ছারবো না।ভুল সব মিথ্যা কথা হাত সবাই ধরতে পারে কিন্তু শেষ পযিন্ত সেই হাত টা কে ধরে রাখতে পারে না।নদিতে কারো হাত ধরে ওপারে যাওয়া অনেক সহজ কিন্তু সেই হাতটা ধরে আগের যায়গায় আশা অনেক কঠিন।হয় তোমায় সেই হাত ছেরে আসতে হবে না তো চোখের পানি মুছে মুছে আসতে হবে।
স্যার বলল রাব্বি রাত ৭টা বাযে।এই বার চলো আমাদের ফিরতে হবে।
আমি বললাম স্যার কথা তো সে হলো না।স্যার বল্লো পরের সপ্তাহে আবার আসব তখন সুনিও।
দুই জন মিলে একটা গারি নিয়ে রওনা হলাম।স্যার বল্লো আমারা আজ বাহিরে খেয়ে যাই ।বলে দুইজন একটা রেসতরায় বসে রাতের খাবার খেয়ে নিলাম।স্যার এর এই খানের পাহারিদের রান্না খাবার খাইতে সমস্যা হয় আমি তা ভালো করে জানি।
দুইদিন পর আমাদের হেড অফিস থেকে একটা নুটিশ আসলো।স্যার এর অন্য খানে পোষ্টিং
হয়ে গেছে।আগামি সপ্তাহে উনি চলে যাবেন।আমি ভাবতে থাকলাম তাহলে আর পুরা ঘটনাটি আমার শোনা হবে না।স্যার এখনো অফিসে আসে নি।তার আগেয় আমি খামটি খুলে দেখেছি।একটু ভয় লাগছে যদি উনি কিছু বলে?স্যার সেই দিন লেট করেয় ঢুকে অফিসে।উনি আশার সাথেয় অনাকে নাস্তা দিলাম।কিন্তু উনি না খেয়ে আমাদের খেতে দিল।জিজ্ঞাস করায় বল্লো খুধা নেই।কিছু ক্ষন পর অনার হাতে আমি খাম টা দিয়ে বললাম হেড অফিস থেকে এসেছে।উনি হেসে বল্লো জানি আমায় চট্রগ্রাম বদলি করা হয়ছে।তোমরা ভালো ভাবে কাজ করবে।ভুল ত্রুটিগুলো কম করবে।শুক্রবার তোমাদের সাথে নিয়ে ঘুরতে যাব।শনিবার রাতে আমি চলে যাব।আমরা জিজ্ঞাস করলাম আপনার খারাপ লাগছে না।উনি বল্লো আমরা কোন খানে স্থায়ি না।নুতন যে আসবে তার সাথে ভালো ব্যবহার করবে।
শুক্রবার সবাই মিলে ঘুরতে গেলাম।আর সেই দিন আমি পুরো ঘটনা সুনে নেই ওনার থেকে।
স্যার বলতে শুরু করল
রাব্বি,তোমার আপুকে কখনো আমার পক্ষে ভোলা সম্ভব না।
আমি সাহশ করে বললাম আপুর নাম কী স্যার
স্যার,আমি ওরে আমার মোহারানি বলে ডাকতাম।
অনেক ভালো জাচ্ছিল আমার দিন।তার দেয়া কষ্ট থেকেয় আমি ভালোবাসা খুজে নিতাম।ও আমায় বলতো তুমি কোন দিন বাহিরে যাবে না।আর গেলেও আমি যাব তোমার সাথে।আমি যদি বলতাম কেন ও বলতো আমায় ছাড়া সে থাকতে পারবে না তাই।একদিন তাকে আমি বলি যে মোহারানি তুমি কী আমায় বুঝবে না?হয়ত আমি তোমার মতো হই নয়ত তুমি আমার মতো হয়ে যাও।তখন সে আমায় বলে যে দেখ তুমি একটা চাকরি করো যাতে আমি বারিতে সবাইকে বলতে পারি।আর আমি যখন বাহিরে পড়ালেখা করতে যাব তুমিও বাহিরে থাকবে আমাদের ভালোবাসায় আর কোন বাধা থাকবে না।আমিও পাগল হয়ে গেলাম।কিন্তু জানতাম না যে আমার বাহিরে যাওয়া টা আমার কাল হয়ে দারাবে।আমি বাহিরে আশার পর থেকে সে আমার সাথে এমন কিছু ব্যবহার শুরু করে দেয় আমি যা কোন দিন ভাবতে বা কল্পোনা করতে পারি নী।জানো যখন অন্যজনের সাথে ছবি দিত বা ওরে দেখতাম আমার মাথা কাজ করত না।আমার পুরা শরির অবস হয়ে যেতো।দিনে পর দিন যে আমায় তিলে তিলে মারতে থাকে।যে জিনিস গুলোর অধিকার আমার ছিল সেই গুলো নাকি আর নেই।রাগ করে যখন নিজের অধিকার ফলাতে গেলাম সেই দিন নাকি আমি সব থেকে বাজে ছেলে হয়ে গেলাম।
আমি স্যার কে জিজ্ঞাস করলাম
স্যার এত কিছু হবার পরো কেন তারে এত ভালোবাসতেন।আর তার জন্য এত দূরে কেন এসে আছেন?
উনি আমায় বলল
রাব্বি,
আমি চাইছিলাম আমার অতিতের সব কিছু ভুলে গিয়ে তাকে নিয়ে থাকতে।বাকি জীবন টা তাকে নিয়ে কাটাতে।নিজের অজান্তে তাকে এত টা ভালোবেসে ফেলি তাকে ছাড়া আর কিছুয় ভাবতে পারতাম না।আর বারিতে যাওয়া ও আমায় বলেছিল আমার বারিতে নাকি ওর জায়গা হবে না।আমার মা বাবা নাকি আমায় বারি থেকে বের করে দিবে।তাই আমি এই সব ছেরে চলে আসি।
সে আমায় বলতো যে আমি তারে ভালো না বাসলেও সে নাকি আমায় একতরফা ভালোবাসবে।কিন্তু সে আমার সাথে কথা বলে না।ভালোবাসা সেইটা তো দূর।আমি সিগারেট খেলে বা নেশা করলে সে তার অনেক রাগ হতো।আজ আজ সে আমায় সেই পথেয় ছেরে গেলো।সে আমায় বলত আমি যেন কোন দিন তারে ছেরে না যাই।বেইমানি না করি আর এখন সে আমার সাথেয় বেইমানি করলো।আমায় ছেরে চলে গেল।
সে যত বার আমার থেকে চলে যেতে চাইছে আমি ততবার তাকে ফিরিয়ে আনছি।নিরিহর মত আমি তার কাছে চোখের জল ফেলছি।নিজের কষ্টর কথা বলতাম না।কারন তার কষ্ট হবে বলে।
সব সময় তাকে আমি আগলে রাখতাম।তার জন্য নিজের বন্ধু বান্ধুবি সব ছেরে দিছি।কারন সে আমার বন্ধু সেই আমার বান্ধুবি ভাবতাম।তাকে আমি বলতাম যে আমি তোমার প্রেমিক বা স্বামির আগে ভালো একজন বন্ধু।কারন বন্ধুর সাথে সব সেয়ার করা জায়।কিন্তু সে কোন দিন কিছু সেয়ার করত না।শুধু হ্যা না লাইক বা লাভ রিয়েক্ট দিয়ে তার কথার উত্তর দিত।তার পরো আমি কিছু বলি নাই।যেই দিন একটু সন্ধেহ করলাম সেই দিন থেকে আরো দূরে সরে যেতে লাগলো।তাকে বার বার বলতাম যে কোন প্রতিশধ নিচ্চ কী?নিলে আমায় বলো আমি কিছু মোনে করব না।তার পরো আমায় তিলে তিলে মেরো না।আমি তোমায় অনেক ভালোবাশি ।তুমি ছাড়া আমি শেষ হয়ে যাব।।কিন্তু সে হাসি দিয়ে উরিয়ে দিত।যখন সে বুঝতে পারলো আমি তার দুর্বলতা সে তখনি আমায় আরো কষ্ট দিতে শুরু করলো।
আমি তাকে আমার জিজ্ঞাস করলাম যে কি করলে সব ঠিক হবে।অ বল্লো তুমি বাহিরে যাও।আমিও বারিহে যাই সব ঠিক হবে।কিন্তু সব ভুল।আমায় আরো সে বেশি কষ্ট দিতে সুরু করলো।আমিও ভাবলাম যে আই দূরে গেলে হয়ত আমার সুন্যতা সে বুঝবে,।কিন্তু ভুল ছিলাম আমি।চাকরি ছেরে দিয়ে বারি গেলাম যার প্রথম কারন ছিল তার আগের চাকরিটা তার পছন্দ না।দ্বিতীয় কারন ছিল তার এই বদলে যাওয়া।বারি ফিরে সব ঠিক করে নিতে চাইছিলাম।কিন্তু বারি গিয়ে আমার লাইফ টায় আরো সেশ হয়ে গেল।তার জন্য আমি আত্যহত্তা পযিন্ত করতে ধরছিলাম।কিন্তু মা দেখতে পেয়ে সফল হয়নি।খুব কাচ থেকে আমি আমার মরন টা দেখছি রাব্বি।সে জানত তার পরো সে একটা বার জানতে চায় নি।আমি কেমন আছে।সে ফিরলো না পযিন্ত।সারা রাত ছোট্ট বাচ্চার মতো আমি কান্না করে কাটীয়ে দিয়েছি।কিন্তু তার পরো আমি তাকে ফিরে পাই নি।
আমি যখন দেখলাম আমি আমার আগের জিবনে এরথেকে বেশি খারাপ হয়ে যাচ্চি তখন আমি ভাবলাম যে আমার দুরে কথাও থাকতে হবে।আম্মু আব্বু কেও রাজি হলো না দেশের বাহিরে যাবার জন্য।পরে আমি ডাকায় চলে আসতে ধরি আম্মু আসতে বারন করলো।আপু কে বললাম আপু বল্লো যেখানে যে ভাবে থাকলে তুমি ভালো থাকবি হাসি খুসি থাকবি তুই সেই খানে যা।থাক।আম্মু কে বল্লো ওরে বারন করিয়েন না।কারন আপু আমার মোহারানি আর আমার বেপারে সব জানত।ঝামেলার কথা গুলাও জানতো।আমি ঢাকায় এসে কি করব না করব কিছু জানি না।আমি এসে মাথা গোজা আর রাত টা কাটানোর জন্য আমার পুরান বাসায় এসে উঠি।পরের দিন রাত টা কাটিয়ে দেই।কই যাব কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না।খাবার জন্য দেখলাম যে রুমে যা রেখে গিয়েছিলাম তা সব ঠিক আছে।রান্না করে বাহিরে গিয়ে দারিয়ে আছি কয়েক জন পুরান কলিগ এর সাথে কথা হলো।ওরা বল্লো ভাই জয়েন করেন আমি না করে দিলাম।সারা রাত না ঘুমিয়ে ভাবতে থাকি কি করব।ভেবে পাই না।সকালে ঠিক কাউন্টারে গিয়ে বসে আছি আল্লাহ রহমতে আমার এক ফ্রেন্ড ফোণ করে।ওরে সব খুলে বলি ও তখন বলে যে আমার এই খানে চলে আয়।আমি চট্রগ্রামের গারিতে রাতে এসে ওরে সাথে ওর অফিসে দেখা করি।দুইজন মিলে রাতের খাবার খেয়ে ও আমায় একটা খাম হাতে ধরে দিয়ে বলে কাল ১০ টায় তোর ডিউটী খাগড়াছরি চলে যা।অফিসের গারি করে চলে আসলাম।এসেয় তো তোমাদের আমি পেলাম।
একটা জিনিস দেখো রাব্বি আমি রাগে বারি থেকে আসার সময় তোমার আপুকে দেখা জন্য তার সাথে অনেক বায়না করি কিন্তু সারা দিন আমি বসে থেকেও তাকে দেখতে পাইনি।চোখের পানি মুছতে মুছতে নিজের সহর ছেরে এসেছি।ফেব্রুয়ারি ১০ তারিখ হবে তোমার আপু আর আমার কোন কথা না বলা।আর দুই জনের একা থাকা।কথা দিয়েছিলাম যত কিছু হক এক সাথে থাকব সারা জীবন কিন্তু এখন একা একা চলতে হচ্ছে আমার।কি থেকে কি হয়ে গেল।আজ দেখো তোমাদের কেও ছেরে অন্য খানে চলে যাচ্ছি।এইটায় আমাদের কপালে রেখা রাব্বি।
আমিঃস্যার আপনি কেন বারিতে যাচ্ছেন না
স্যারঃনিজের সব মায়া ছেরে জিবনে অনেক বরো হতে এসেছি
আমিঃস্যার,বারি ফিরবেন কবে?
স্যারঃতোমার আপু যদি আমায় কোন দিন ফিরতে বলে সেই দিন আমি ফিরব তার আগে না।
আমিঃআপনার লাইফে আপনি যদি সফল হন তখন?
স্যারঃহুম সেই দিন ফিরব।{এই দুইটার কোণ একটা পুরন হলেয় আমি ফিরব।
আমিঃস্যার বিয়ে তো করতে হবে তা আরো কোত দিন?
স্যারঃসরি রাব্বি আমি বিয়র বা নুতন করে আমার জিবনের কাউকে জরাতে পারব না।
আমিঃকেন স্যার ?
স্যারঃএক মোন আর এক দেহের ভাগ কয়জন কে দিব বলো।আর কারো জণ্য ভালোবাশা যদি একবার মোরে যায় সেই ভালোবাশা কোন দিন অন্য কারো উপর ফিরে আসে না।
স্যারঃদেখ রাব্বি,যদি তারে কোন দিন ভুলতে পারি আমি তখন বিয়ে করব।
বেইমানি অভিনয় সে করছে আমি না।সাদা কালো পোশাক টা আমার বেশি পছন্দের।
তার জন্য আমি চেঞ্জ হয়ে গেছিলাম।কিন্তু আমি আবার আমার আগের জিবনে ফিরে এসেছি।
আমিঃতাই বলে কি একা থাকবেন আপনি।সব সময় সাধা কালো পোষাক পরেন কেন?
আমিঃআপুর সাথে কি কোন ভাবে জোগাযগ করা সম্ভব না?



0 Comments