দ্যা ফ্যাক লাভ

মানুষের জীবন টা অনেক আজব তাই না?কয়দিন থাকব কয়দিন বাচব আমরা কেও জানি না।কিন্তু এর মাঝে কত মায়া আর কত ভালোবাসা।


ই ভালোবাসা আমরা অনকেয় পাই আবার অনেকেয় পাইনা।কেন পাইনা আমরা কেও জানি না।কারন কি জানেন?জানেন না এর আসল কারন আমরা কেও জানি না।কারন একটা বেকার ছেলে কে কেও কোন দিন বিয়ে করবে না.আপনাকে সবাই কথা দিবে সে আপনার সারা জীবন আপনার পাসে থাকবে কিন্তু একসময় দেখবেন ওই মানুষটায় আপনাকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে আপনাকে ছেরে যাবে।কিন্তু শেষে সে আপনাকে এমন কিছু কথা সুনিয়ে দিবে বা এমন কিছু উপহার দিবে যা আপনি কোন দিনেও মানতেও পারবেন না।আপনাকে চরিত্র হিন নেশা ক্ষর হাজারো অপবাদ দিয়ে ছেরে যাবে।এইটায় বাস্তবা ।কি ভাবছেন খুব অদভুত তাই না।এক সময় আপনার ওই প্রিয় মানুষ টা আপনাকে ছাড়া থাকতে পারতো না।আপনাকে সে বলত আপনার সাথে কথা না বলে সে থাকতে পারবে না।আপনাকে না দেখলে তার কষ্ট হয়।কিন্তু একসময় সে লোক টা আপনাকে ছেরে  মাসের পর মাস বছরের পর বছর পার করে দিবে।ভুল করেও আপনাকে তার মনে পরবে না।আজ আমি আপনাদের একটা গল্পো সুনাব।

তার আগে চলুন গল্পের একটা কাল্পনিক চরিত্রের নাম দেয়া যাগ।চরিত্র কাপ্লনিক হলেও সব কিছু বাস্তব ।কোন এক ব্যক্তির জীবন থেকে নেয়া।ছেলের নাম সাব্বির আর মেয়ের নাম লিজা

ভালোবাসার মানুষকে কত টা ভালোবাসলে একটা লোক এমন হতে পারে তা না শুনলে বিশ্বাস করা জায় না।আজ যে গল্পটা আপনাদের মাঝে আমি বলতে যাচ্ছি সেইটা কোন কাল্পনিক না।আমার একজন অফিসের স্যার এর কাছ থকে শোনা।ওনার জীবন কাহিনি।

আমার চাকরি জীবনে ওনার মতো একজন কে আমার স্যার হিসাবে পেয়েছিলাম এইটার আমার অনেক পুর্ন্তার কাজ বলে আমি ভাবি।আমার জিবনে এই রকম মানুষ আমি একটাও দেখিনি।ওনার সাথে আমরা চার জন সহকর্মি ছিলাম.হাজার কাজের ভুল হলেও উনি আমাদের কখনো রাগ হতেন না.সুন্দর ভাবে বুঝাতেন সব.কথা বলা বা আমাদের সাথে মিশতেন একজন বন্ধু বা ভাইয়ের মতো।কিন্তু তার এই আচরানের জন্য উনি আমাদের সাথে বেশি দিন থাকতে পারেনি।কিছু লোকের জন্য ওনার অন্য খানে পোষ্টিং হয়ে যায়।

ওনাকে ভালোভাবে লক্ষ না করলে কখনো বুঝা যেত না যে উনি ভালো আছে কি না।আমাদের সাথে যত ক্ষন থাকতো ওনার মুখে হাসি থাকতো সব সময়।আমাদেরকে উনি সব সময় সব পাশে সহজগিতা করতেন।স্যার কে কোন দিন দেখতাম না ফোনে কারো সাথে কথা বলতে।বা রুমেও দেখতাম না.

আমাদের গার্লফ্রেন্ড বা কেও ফোন দিলে স্যার আমাদের বলতেন যাও আগে কথা বলো আসো গালর্ফেন্ড

হইলে যাও কি বলে শুনে আসো।আর বারি থেকে ফোন দিলে বাবা মার সাথে ভালো করে কথা বলে আসো নাতে ওনারা চিন্তা করবেন।






কিন্তু আমরা যদি জিজ্ঞাস করতাম স্যার ম্যাডাম বা ভাবি কেমন আছেন উনি হেসে বলত আমি তো বিয়ে করেনি।আমরা বলতাম গার্লফেন্ড কেমন আছেন আপনার ।উনি বলতো নাই।বিশ্বাষ হতো না আমাদের।কারন এনার মতো একজন লোকের গার্লফ্রেন্ড নেই এ কেমন কথা.আমরা অনেক দিন লক্ষ করতাম উনি অফিসে আসলেয় ফোন ডেক্সে রেখে তালা দিয়ে রাখত।কখনো দেখতাম না কাওকে ফোন দিতে।আমাদের একটু কৌতহল হলো।এত দিন এনার সাথে কাজ করছি কিন্তু ওনার বারিতে মা,বাবা,ভাই,বোন,ভাতিজা সবাই আছেন কিন্তু কেও কেন ফোন দেয় না?

একদিন অফিসের পর স্যার এর সাথে বের হলাম।স্যার বল্লো রাব্বি চলো আজ তোমাদের কে নিয়ে গাড়ো পাহারের দিক থেকে ঘুরে আসি।আমাদের পাঁচ জনের ভিতর একজন আসেনি.বাকিরা বল্লো স্যার আমরা একটু মার্কেটের দিকে যাব কেনা কাটা করব আপনি আর রাব্বি জান আমরা নেক্সট সপ্তাহে যাব।

তো স্যার আর আমি অফিস থেকে বের হয়ে আমাদের সেই কাংক্ষিত জায়গার দিকে বেরিয়ে পরলাম।

পাহারের আকা বাকা পথ ধরে।এক ঘন্টার মতো সময় পর আমরা সেই যায়গায় উপস্থিত হোলাম।স্যার আমার হাতে কিছু টাকা দিয়ে কিছু খাবার আনতে পাঠালেন।

তার পর আমি ফিরে দেখলাম স্যার একটি গাছের নিছে বসে ধুমপান করছেন আর কিছু একটা ভাবছেন।পিছন থেকে ওনাকে ঢাকার সাথেয় বল্লো তুমি চলে এসেছ?আমি বললাম হ্যা স্যার।

স্যার আমাকে তার পাশে বসতে বল্লো।আমি স্যারের ডান পাশে বসতে ধরলে উনি আমায় বারন করলেন।আমি না বুঝে ওনাকে জিজ্ঞাস করলাম স্যার কেন ।উনি হাসি মুখে বল্লো তুমি ধুমপান করো না।আর আমার নিকটিনের ধোয়া গুলো আমার ডান পাশে উরে যাচ্ছে।এতে তোমার ক্ষতি।তাই বাম পাশে বসতে বললাম।

স্যার বল্লো আমায় বিয়ার টা দিয়ে তুমি কোক টা খাও।তার পর উনি বল্লো বলো রাব্বি কি জানতে চাও।আমার সব বিষয়ে এত জানার কৌতূহল।

আমি স্যার কে বললাম

রাব্বিঃস্যার আপনার জিবনের গল্পো টা আমার সুনতে খুব ইচ্ছা করে।কেন আপনি কখনো বারিতে ঘুরতে জান না,কেন আপনি সব সময় সব কিছু এরিয়ে চলেন,কেন বা আপনি ফোন আপনার ডেক্সে তালা দিয়ে রাখেন।

স্যার একটু মুচকি হাসি হেসে বললেন

স্যারঃআচ্ছা এই কথা?

রাব্বিঃহ্যা স্যার।

স্যারঃঠিক আছে তাইলে শুনো।

        বাকি ১০টা ছেলের মতো আমার জীবনটা ছিল।আমি কোন দিন কোন নেশা করতাম না।সবার মতো আমার জিবনেও ভালোবাসা আসে কিন্তু সেইটা হয়তো আমার জন্য ছিল না।সেই লোকটা কিছু দিন পর আমার জীবন থেকে চলে যায়।আমি কিছুতেয় বুঝে উঠতে পারছিলাম না আমি কি করব?বন্ধুদের জিজ্ঞাস করলে তারা এইটা খাইতে বলতো ওইটা খাইতে বলতো।তার পর থেকে আমার নেশা জীবন শুরু।তখন যদি আমার জিবনে বুঝানোর মতো কেও থাকতো তাইলে হয়তো আমার জিবনটা নষ্ট হইতো না।তার পর ঠিক করি আর রিলেশন করব না।কলেজে উঠার পর নুতন নুতন সব বন্ধু হলো দিন ভালো কাটছিল।তার বুঝালো এই ভাবে জেন নিজের লাইফটা নষ্ট না করি।ধিরে ধিরে ভালো হতে থাকলাম।বন্ধুদের অনুরধে আবার রিলেশনে যাইতে চেয়ে যাওয়া হয়নি।তবে আমায় মেয়েটে নাকি অনেক ভালোবাসতো।কিন্তু আমি বন্ধুদের বললাম এই সব প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু হয় না।কয়দিন পর দেখবি ওর বিয়ে হয়ে গেছে।কথা মতো কিছু দিন পর তাই হলো।

বন্ধুরা বল্লো যে দোস্ত তুই ঠিক বলছিলি।

আমার লাইফে বন্ধু বান্ধুবি অনেক ছিল।আমি সব সময় হাসি খুসি আর বন্ধুদের সাথে প্রচুর ঘুরতাম।

রাব্বিঃস্যার এর মাঝে কি এমন হলো যে আপনি এই ভাবে চেঞ্জ হইয়ে গেলেন।

কথা বলার সাথে সাথে স্যার একটা দির্ঘ স্বাশ ফেললেন।[আমি বুঝতে পারলাম যে এই খানেয় কোন সমস্যা আছে।]





স্যারঃরাব্বি এত দিন বা এত গুলো বছর পার করে এক সময় আবারো একজনের ভালোবাসায় জরিয়ে পরি।যদিও আমার ইচ্ছা ছিল না তার পরো নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভালোবাসলেও পরে তার জন্য আমি পাগল হয়ে যাই।তাকে আমি বারন করছিলাম আমার লাইফের সাথে তাকে না জরাতে আমি তাকে বলছিলাম আমার অনেক বরো আর বাজে একটা অতিত আছে সে আমায় বলছিল যত বাজে বা বরো অতিত থাকুক না কেন সে সব জেনে সে আমায় ভালোবাসে আমার সব কিছু ভুলিয়ে দিবে।আর আমার লাইফ টা আগের মতো গরিয়ে দিবে।কখনো আমার হাত ছারবে না।জানো রাব্বি ও যখন আমাদের বারিতে আসত ও আমায় ছাড়া নাকি থাকতে পারত না।আমার সাথে নাকি সে কথা না বলে থাকতে পারত না।আর আজ সেই মেয়ে টা আমার সাথে কথা না বলে আমায় না দেখে মাসের পর মাস কাটিয়ে দিচ্ছে।

যখন ও আমার লাইফে আসে আমি ধিরে ধিরে ওরে ভালোবাসতে থাকি।আমাদের রিলেশন যখন ২বছর হয় তখন দেখি ও চেঞ্জ হয়ে যাওয়া শুরু হচ্ছে।ওর জন্য আমি রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে কাটীয়ে দিয়েছিলাম।কারন ভাবতাম ও যদি আমায় এসএমএস দিয়ে বা ফোন দিয়ে না পায় তাইলে ওর কষ্ট হবে।

আমি ফোন দেখতে দেখতে ঘুমায় জাইতাম ফোন আমার কানের কাছে থাকত যখন ও আমায় যখন এসএমএস করবে বা ফোন দিবে যদি

সে আমায় না পায় তা হলে তার কষ্ট হবে আর আমি তা মেনে নিতে পারব না।

এই ভাবে আমি রাতের পর রাত কেটে দিয়েছি,না ঘুমিয়ে।তাকে আমি বুঝিয়ে আমার মোনের মতো করে নিয়ে নিতে চাইছিলাম।


২য় পার্ট>>>